fbpx

ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন

এখন আপনার প্রিয় গাড়ির জন্য ট্র্যাকিং ডিভাইস পাবেন আরো সহজে। কারণ ‘নগদ’ ও Easytrax আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে দারুন ক্যাশব্যাক অফার। Easytrax-এর ট্র্যাকিং ডিভাইস ও সাবস্ক্রিপশন ফি বাবদ ন্যূনতম ৩০০ টাকা ‘নগদ’-এ পেমেন্ট করলেই পাবেন ৩০ টাকা ক্যাশব্যাক। এই ক্যাশব্যাক অফারটি চলবে ১ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে ৩১ মার্চ, ২০২১ পর্যন্ত।

Easytrax ক্যাশব্যাক ক্যাম্পেইনের শর্তাবলীঃ

  • ‘নগদ’-এর গ্রাহক Easytrax-এর কোন সার্ভিস ফি বা সাবস্ক্রিপশন ফি প্রদান করার জন্য ন্যূনতম ৩০০ টাকা ‘নগদ’-এর মাধ্যমে প্রদান করলে ৩০ (ত্রিশ) টাকা ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন।
  • ‘নগদ’-এর গ্রাহক এই ক্যাম্পেইন চলাকালীন সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন। তবে এক মাসে সর্বোচ্চ ১ (এক) বার ক্যাশব্যাক পাবেন।
  • ‘নগদ’-এর গ্রাহক অফারটি উপভোগ করতে পারবেন যদি তারা শুধুমাত্র Easytrax ওয়েবসাইট থেকে ‘নগদ’ পেমেন্ট অপশন ব্যবহার করে পেমেন্ট করেন।
  • এই ক্যাম্পেইনটি ০১ জানুয়ারি ২০২১ থেকে শুরু হয়ে ৩১ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত চলবে।
  • এই ক্যাম্পেইনটিতে অংশগ্রহণ করতে হলে ‘নগদ’ গ্রাহকের একাউন্টটি অবশ্যই সচল থাকতে হবে।
  • ‘নগদ’ এই শর্তাবলী পরিবর্তন/পরিবর্ধন করার কিংবা কোন প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পুরো ক্যাম্পেইনটি বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
  • এই ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত যেকোন সিদ্ধান্ত ‘নগদ’ কর্তৃক সংরক্ষিত এবং ‘নগদ’-এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
  • ‘নগদ’ ঘোষণা করে যে,

ক) ‘নগদ’ বা ‘নগদ’-এর কোন প্রতিনিধি, কোন সময়েই গ্রাহকের কাছে তার একাউন্টের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) কিংবা পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (পিন) চাইবে না।

খ) ইহা গ্রাহককে কোন প্রকার লেনদেন করতে বলবে না।

গ) ইহা গ্রাহককে শুধুমাত্র ১৬১৬৭ বা ০৯৬ ০৯৬ ১৬১৬৭ নাম্বার থেকেই যোগাযোগ করবে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ‘নগদ’-এর মাধ্যমে টাকা প্রদানের ক্ষেত্রে যেকোন প্রকার বিভ্রান্তি বা দ্বিধা নিশ্চিত হবার জন্য গ্রাহক ১৬১৬৭ অথবা ০৯৬ ০৯৬ ১৬১৬৭ নাম্বারে কল করতে পারেন।

উপরোক্ত ঘোষণাসমূহের পরও তৃতীয় কোন পক্ষের কোন কার্যের জন্য গ্রাহকের কোন ক্ষতি হলে ‘নগদ’ কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

  • এই ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত যেকোন প্রকার মতবিরোধ দেখা দিলে গ্রাহক ‘নগদ’-এর হটলাইন নাম্বারে (১৬১৬৭ অথবা ০৯৬ ০৯৬ ১৬১৬৭) অবহিত করবেন।
  • উক্ত শর্তাবলী বাংলা এবং ইংরেজি উভয় ভাষায় উল্লেখিত হবে এবং বাংলা ও ইংরেজির মধ্যে কোন বিষয় সংঘর্ষ হলে তখন ইংরেজি ভাষা প্রাধান্য পাবে।